সর্বাধুনিক এবং সম্পূর্ন বিজ্ঞানভিত্তিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা জগতে আপনাকে সু-স্বাগতম

dr2-banner

ডাক্তার পরিচিতিঃ

ডাঃ কে, এম, বি ইসলাম (বুলবুল)

ডি.এইচ.এম.এস (বি.এইচ.বি) ঢাকা, পি.ডি.টি (বি.এইচ.এম.সি) ঢাকা
হোমিওপ্যাথি গবেষক, লেখক ও কনসালট্যান্ট
জটিল ও দীর্ঘ মেয়াদী রোগীর ১৮ বছরের অভিজ্ঞ হোমিও সু-চিকিৎসক।
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড কর্তৃক নিবন্ধিত, গভঃ রেজিঃ নং- ২৬৫২৮
বাংলাদেশ বেতার ( খুলনা রেডিও সেন্টারে ) প্রকৃতি ও বিজ্ঞান এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ের আলোচক।
ভাইস প্রেসিডেন্টঃ বাংলাদেশ হোমিও রিসার্চ ফাউন্ডেশন ঢাকা।

মুঈনউদ্দিন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও নিয়মিত চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী ডাঃ কে, এম, বি ইসলাম ( বুলবুল ) বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের অধীনে সরকারী স্বীকৃতিপ্রাপ্ত “খুলনা হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল” হতে ডি, এইচ, এম, এস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ও সরকারী স্বীকৃতি প্রাপ্ত “বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল” ঢাকা হতে পি, ডি, টি হোমিওপ্যাথি ডিগ্রি অর্জনকারী ও প্রশিক্ষন প্রাপ্ত এবং বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড কর্তৃক নিবন্ধিত চিকিৎসক যাহার গভঃ রেজিঃ নং- ২৬৫২৮। তিনি যত্ন সহকারে নানাবিধ নতুন-পুরাতন ও জটিল রোগীর সূ – চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং রোগীর স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার ও মানসিকভাবে সার্বিক উন্নতি এবং যে সমস্ত রোগ ব্যধি ডায়াগনস্টিক পরীক্ষায় ধরা পড়েনা সে সমস্ত রাগীদের জন্য বিভিন্ন রকম গবেষনা করে থাকেন।

মুঈনউদ্দিন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসালয় এর বৈশিষ্ট্যঃ

  • সর্বাস্থায় চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমরা আমদানীকৃত উৎকৃষ্টমানের অরিজিনাল জার্মানি, সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্স এর হোমিওপ্যাথি ঔষধ ব্যবহার করে থাকি।
  • পুরাতন ও জটিল রোগীর চিকিৎসায় বিস্তারিত বিবরণ শুনে ডাইরিতে নোট ( কেস হিস্ট্রি গ্রহন ) করে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান করা হয়।
  • রোগের ইতিহাস গ্রহণ, ঔষধ প্রসেসিং, প্রেসক্রিপশন প্রদান, রোগীর পরীক্ষা করা এবং কেসহিস্ট্রি সংরক্ষন, ঔষধ প্রদান করা সবই ডাক্তার নিজ হাতে করে থাকেন, ( নির্ভূল চিকিৎসার জন্য এটাই উত্তম পদ্ধতি। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির আবিস্কারক ডাঃ হানেমান এই নিয়মেই চিকিৎসা সেবা প্রদান করতেন)।
  • আমরা একজন পুরাতন ও জটিল রোগীর ক্ষেত্রে প্রায় ১ থেকে ২ ঘন্টা সময় ধরে রোগের উৎস অনুসন্ধান পূর্বক চিকিৎসা সেবা দিয়ে রোগ সমূলে নির্মূল করার চেস্টা করে থাকি।
  • সর্বোপরি আমাদের রয়েছে দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত চেম্বার, দেশি বিদেশি অভিজ্ঞ ও অভিজাত শ্রেণীর ডাক্তারদের লেখা চিকিৎসা সংক্রান্ত দূর্লভ পুস্তকাবলীর সংগৃহিত জ্ঞান ও পেশাগত ভাবে দীর্ঘ দিনের বাস্তব অভিজ্ঞতা।
  • সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সফটওয়ার ও কম্পিউটারের মাধ‌্যমে রোগলক্ষন বিশ্লেষন ও ঔষধ নির্নয় করার অভিনব পদ্ধতি ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কলাকৌশল।
  • খুব বেশি প্রয়োজন না হলে আমরা ( ব্যবসায়ীক সুবিধা লাভের আশায় ) কাউকে আমরা অযথা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা নিরীক্ষা ( যথা আল্টাসনো, ই সি জি, প্যাথলজিকাল টেস্ট ইত্যাদি) করাই না।
  • ঔষধের মূল্য বাজার দর হইতে ২৫% ছাড়ে সরবরাহ করা হয়। এবং উন্নত মানের নতুন শিশি বোতল ক্যাপ ওয়াসার কর্ক ড্রপার ব্যবহার করা হয়।
  • অসহায় সুবিধা বঞ্চিত দরিদ্র রোগীদের স্বল্প মূল্যে চিকিৎসা এবং ঔষধের ব্যবস্থা এবং কোন প্রকার ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার প্রয়োজন হলে সর্বনিন্ম ছাড়ে করিয়ে দেওয়ার জন্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সুপারিস করে দেওয়া হয়।
  • আমাদের চেম্বারে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় আজীবন ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন হয় না, রোগ যতই জটিল হোক না কেন, ইনশাআল্লাহ্ নির্দ্দিস্ট মেয়াদে কিছুদিন ঔষধ সেবনে রোগী সুস্থতা লাভ করে থাকে।
  • আমাদের চেম্বারে হোমিওপ্যাথি নিয়মনীতি বিরুদ্ধ কোনরুপ চিকিৎসা ব্যবস্থা দেওয়া হয় না। যেমনঃ- পেটেন্ট ঔষধ, টনিক, ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, মলম মালিশের মাধ্যমে যত চিকিৎসা আছে তা সকলই হোমিও প্যাথি চিকিৎসা নীতি বিরুদ্ধ বিধায় আমরা তা পরিত্যাগ করে চলি।
  • আমাদের চিকিৎসা সেবায় ৩ টি ধাপ অনুস্বরন করে দেওয়া হয় যেমনঃ প্রথম ধাপেঃ রোগীর রোগ লক্ষনের বিস্তারিত বিবরন জেনে তা রেজিষ্টার খাতায় লিপিবদ্ধ করা হয়। দ্বিতীয় ধাপেঃ উক্ত রোগ লক্ষন চিকিৎসা সংক্রান্ত পুস্তকাবলীর সাহায্যে গবেষনা করে রোগ অনুযায়ী ঔষধ নির্বাচন করা হয়। তৃতীয় ধাপেঃ অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ হোমিওপ্যাথি নিয়মনীতি অনুযায়ী রোগীর নিকট সরবরাহ করে থাকি। প্রয়োজনে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা আপনি পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন।

সূতরাং আমাদের প্রতি আস্থা রাখুন ইনশাআল্লাহ্ আমরা আশাকরি আপনি সুস্থ হবেন।



চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের বানী ( দলিল সহ ) ঃ

হযরত হেলাল ইবনে ইয়াসাফ (রাঃ) থেকে বর্নিত তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) এর যুগে এক ব্যক্তি আঘাত প্রাপ্ত হলে রাসূল (সাঃ) বলেন, তোমরা তার (চিকিৎসার) জন্য ডাক্তার ডেকে আনো। তখন সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞাসা করলেন ইয়া রাসূলাল্লাহ (সাঃ) ডাক্তার কি ঐ ব্যক্তির কোন উপকার করতে পারবে? ( তাকে সুস্থ করতে পারবে? ) উত্তরে রাসূল (সাঃ) বললেন হ্যাঁ। কারন আল্লাহ তায়ালা এমন কোন রোগ অবতীর্ন করেন নাই যার সাথে তার শেফা বা চিকিৎসার ব্যবস্থা দেন নাই। অর্থাৎ যত রোগ তিনি অবতীর্ন করেছেন তার সাথে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা ও দিয়েছেন।

রেফারেন্সঃ মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, খন্ড নং-১২, পৃষ্ঠা নং-২৩, হাদীস নং- ২৩৮৮০


হযরত উসামা বিন শরীক থেকে বর্নিত তিনি বলেন বেদুঈনগন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করল যে, ইয়া রসূলাল্লাহ (সাঃ) আমরা কি (রোগ মুক্তির জন্য) চিকিৎসা গ্রহন করবনা?
উত্তরে রসূল (সাঃ) বললেন হ্যাঁ হে আল্লাহর বান্দাগন , তোমরা চিকিৎসা গ্রনণ কর। কারণ মহান আল্লাহ তায়ালা এমন কোন রোগ নাযিল করে নাই ( সৃষ্টি করেন নাই ) যা থেকে মুক্তির ব্যবস্থা নাযিল করেন নাই।
তবে একটি রোগের চিকিৎসা নাযিল করেন নাই তখন বেদুইরা বল্লো ইয়া রসুলুল্লাহ (সাঃ) সে রোগটি কি?
উত্তরে রসূল (সাঃ) বললেন, তা হলো বার্ধক্য।

রেফারেন্সঃ জামেউত তিরমিযি – চিকিৎসা অধ্যায়, খন্ডঃ মূল কিতাব ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা নং-২৪, হাদীস নং- ২০৩৮

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সম্বন্ধে আনুষঙ্গিক কিছু জ্ঞাতব্য বিষয়ঃ

  • হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থা মহামতি ডাঃ স্যামুয়েল হানেমান কর্তৃক ১৭৯৬ সালে জার্মানীতে আবিস্কৃত হয় আবিস্কারক ডাঃ হানেমান তার নিজ দেহে ৯৯ টি ঔষধ পরীক্ষা করে তার লক্ষনাবলী বিভিন্ন মেডিকেল জার্নাল পত্র পত্রিকায় এবং পুস্তকারে প্রকাশ করেন। হানেমানের জন্ম ১৭৫৫ খৃষ্টব্দের এপ্রিল মাসের ১০ তারিখে জার্মনীতে মৃত্যু হয়েছিল ১৮৪৩ সালের ২রা জুলাই মাসে ফ্রান্সে। তিন ৮৯ বছর বেঁচেছিলেন।
  • হানেমান ২২ বছর বয়সে ১১টা ভাষায় সুপন্ডিত হন, যেমন- জার্মান, গ্রীক, ল্যাটিন, ইংরেজি, ইটালিয়ান, হিব্রু, সিরিয়াক, আরবি, স্প্যানিশ, ফরাসি চ্যালডেইক ইত্যাদি। মিসেনের টাউন স্কুলে পড়ার সময়, তিনি তাঁর নিচের ক্লাসের ছাত্রদের গ্রীক ভাষা শেখাতেন। তিনি সেন্ট আফ্রা স্কুল হতে বিদায় অনুষ্ঠনে নিজের দেওয়া একটা বক্তিতা পেশ করেন। তা “মানুষের হাতের অদ্ভূত গড়ন” শিরোনামে ল্যাটিন ভাষায় লেখেন। লাইপজিকে পড়ার সময়, তিনি রাতে ধনী গ্রীক সন্তানদের জার্মান ও ফরাসি ভাষা শেখাতেন। হানেমান তাঁর জানা ১১ টা ভাষায় লেখা, হিপোক্রেটিস থেকে শুরু করে পরবর্তী আড়াই হাজার বছরের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস পড়েন ও এর বিশ্লেষণ করেন। তিনি লাইপজিক বিশ্ববিদ্যালয়ে হোমিওপ্যাথি বিষয়ে শিক্ষা দেয়ার অনুমতি চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয কর্তৃপক্ষের কাছে এক আবেদন করেন। উক্ত আবেদন-পত্রে তিনি বিভিন্ন ভাষায় চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্য সম্বলিত একটা প্রতিবেদন পেশ করেন।
  • ডাঃ হ্যানেমানের মৃত্যুর পরে তার শিষ্য ডাক্তার গন নতুন নতুন ঔষধ আবিষ্কার ও তাদের শরীরে পরীক্ষা অব্যাহত রাখেন এবং বর্তমানেও হ্যানেমানের অনুসারী ডাক্তারগন নিজ নিজ শরীরে ঔষধ পরীক্ষার কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন । উল্লেখ্য, ডাঃ হ্যানেমান ৯৯টি ঔষধ আবিষ্কার করেছিলেন। পরবর্তীতে তার অনুষারী ডাক্তার গনের অব্যাহত ধারাবাহিকতায় বর্তমানে হোমিওপ্যাথি ঔষধের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৬৫০০টি (ছয়হাজার পাঁচশতটি)।
  • পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেক দেশে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিদ্যমান ইউরোপের দেশগুলোতে হোমিওপ্যাথি সরকারী ভাবে গৃহীত ও কলেজ ভার্সিটিতে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। হোমিওপ্যাথির উপরে উচ্চতর ডিগ্রি প্রদান সহ বিভিন্ন রকম গবেষনা করা হয়ে থাকে। আশ্চর্যের বিষয় হল – হোমিওপ্যথি আজ ২২৩ বছরের অধিক পদার্পন করেছে এর মধ্যে কোন দেশের সরকার ১ টাও ঔষধকে বাতিল করার মত একটি ও দোষ খোজ করে পায়নি বরং এটা প্রমানিত হয়েছে যে, শিশু ও গর্ভবস্থায় এই পদ্ধতির চিকিৎসা নিরাপদ ও সুবিধাজনক এবং সহনীয় পদ্ধতি।
  • হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার অনেক নিয়মনীতি রয়েছে যেমনঃ রোগীর নিকট হতে রোগের পূর্নাঙ্গ বিবরন জেনে তা রেজিষ্টার খাতায় লিপিবদ্ধ করে রাখা হয়। অতঃপর, সেই রোগ লক্ষন বিশ্লেষন করে রোগ অনুযায়ী ঔষধ নির্বাচন করা এবং নির্বাচিত ঔষধ সুক্ষ মাত্রায় প্রয়োগ করা এক সাথে ৩/৪ টা ঔষধ ব্যবহার না করা মলম, টনিক বা পেটেন্ট কোন প্রকার ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ বা নীতি বিরুদ্ধ কাজ ঔষধে কাজ আরম্ভ করলে ঔষধ বন্ধ করে রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষন করা ইত্যাদি।
  • হোমিওপ্যাথিতে নিদ্রিষ্ট করে রোগের কোন ঔষধ হয় না যেহেতু এখানে চিকিৎসা করা হয় রোগীর অন্যান্য প্যাথিতে যেমনঃ প্রেসারের ঔষধ, ব্যাথাবেদনার ঔষধ ইত্যাদি নামে চলে। হোমিওপ্যাথিতে সেইরকম কোন নিদ্রিষ্ট ঔষধ নেই নেশার জগতে অধিকাংশই এ্যালোপ্যাথি ঔষধের মাধ্যমে নেশাকরা হয় । অবাক করার বিষয় হল হোমিওপ্যাথি কোন ঔষধে নেশা করা যায় না।
  • একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে পূর্বের স্বাস্থ্যে ফিরিয়ে আনাই হল একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের একমাত্র কাজ । সেই হিসাবে একজন চিকিৎসক স্বাস্থের রক্ষক হিসাবে বিবেচিত স্বাস্থ্যের রক্ষকের কি কি বিশেষগুন থকতে হবে তা ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানেমান অর্গানন অফ মেডিসিন নামক বইয়ের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। পৃথীবিতে হোমিওপ্যাথিই একমাত্র চিকিৎসা ব্যবস্থা যার দ্বারা নিরুপদ্রুপ ভাবে অল্প সময়ে রোগকে সমুলে নির্মূল করে রোগীকে পূর্বের ন্যায় সুস্থ্য করে তোলা যায়।
  • ঔষধ সাহায্যে রোগ আরোগ্যের জন্য সমগ্র বিশ্বে প্রচলিত যাবতীয় চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে হোমিওপ্যাথিক পদ্ধতিই সর্বশ্রেষ্ট এবং ইহাই একমাত্র প্রকৃত বিজ্ঞান সম্মত চিকিৎসা ও আরোগ পদ্ধতি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে বছরের পর বছর অথবা সারা জীবন ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন হয় না। নিদ্রিষ্ট নিয়মে কিছু কাল নিয়মিত ঔষধ সেবন করলে গুরুতর জটিল ও পুরাতন ব্যাধি নিদোষ রুপে আরোগ্য লাভ হয়ে থাকে।

আমরা যে সমস্ত রোগীর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবা প্রদান করে থাকি তার বিবরণঃ

ইনশাআল্লাহ বিনা অপারেশনে শুধুমাত্র ঔষধ সেবনের মাধ্যমে যে সমস্ত রোগের সু-চিকিৎসা দেওয়া হয়ঃ

  • নাকের মধ্যে পঁলিপাস
  • সাইনোসাইটিস
  • টেরিজিয়াম বা চোখের মধ্যে মাংশ বৃদ্ধি হওয়া
  • টনসিল ও এডিনয়েড বৃদ্ধি হওয়া
  • গলগন্ড বা গয়টার, থাইরয়েড গ্লান্ডবেড়ে যাওয়া
  • স্তনে টিউমার, ব্রেইন টিউমার
  • ভেরিকোস ভেইন, ভেরিকোসিল, একশিরা
  • লাইপোমা, জরায়ুতে টিউমার, জরায়ু নিচে নেমে আসা
  • ফ্যালেপিয়ান টিউব ও ওভারিতে সিস্ট ও টিউমার
  • পিত্তথলিতে পাথর, কিডনিতে পাথর, সিস্ট এবং টিউমার
  • লিভারে চর্বিজমা, প্লিহা বড় হয়ে যাওয়া
  • এ্যপেন্ডিসাইট, প্রোস্টেট গ্লান্ড বৃদ্ধি হওয়া
  • লিপিড প্রোফাইল বেড়ে যাওয়া
  • সিরাম ক্রিয়েটিনিন বেড়ে যাওয়া
  • মূত্র নালীর স্ট্রিকচার বা মূত্র পথ সরূ হয়ে যাওয়া
  • অস্থি বা হাড়ে এবং যে কোন স্থানের টিউমার
  • হেপটাইটিস বি ভাইরাস (এইচ, বি, এস, এজি পজেটিভ) হয়ে যাওয়া
  • জন্ডিস, লিভার ও হার্টে চর্বিজমে যাওয়া
  • T3- T4- TSH- S.Protactine, LH, FSH বেড়ে যাওয়া
  • SGPT, SGOT, S.Uric Acid বেড়ে যাওয়া
  • মাজা, কোমর, হাটু, গিটেগাটে ব্যথা যন্ত্রনা করা
  • নার্ভ বা শিরা শুকিয়ে যাওয়া এবং শিরায় ব্যথা যন্ত্রনা করা
  • ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টরন, টেস্টস্টোরেন, প্রল্যাকটিন, থাইরেয়ড সহ যে কোন ধরনের হরমোন বেড়ে যাওয়া
  • ASO Titre, S.Cholesterol, S. Total Protrin বেড়ে যাওয়া
  • কানে পুজ, রক্ত পড়া, কানের পর্দা ফুটা হয়ে যাওয়া
  • সকল প্রকার এলার্জি, ব্রন, ছৌদ, মেছতা, ফোড়া, বাগী, পায়ের তলায় কড়া
  • গ্যাস্টিক আলসার বা পাকস্থলিতে ঘা / ক্ষত হয়ে যাওয়া
  • মাইগ্রেন সহ মাথার যে কোন প্রকার যন্ত্রনা
  • অর্শ, ভগন্দার, মলদ্বারে নালী ঘা, পুজ রক্ত পড়া, মলদ্বার ফেটে যাওয়া
  • রক্ত স্বল্পতা, রক্তে হিমগ্লোবিন কমে যাওয়া, রক্ত শূন্যতা
  • হাঁপানী, এ্যজমা, শ্বাসকস্ট, ব্রংকাইটিস, নিমোনিয়া
  • অজ্ঞাত যে কোন রোগের অরিজিনাল জার্মানী হোমিওপ্যাথি ঔষধের মাধ্যমে সু-চিকিৎসা প্রদান করা হয়
  • এছাড়া যে সমস্ত রোগব্যাধি ডায়াগনষ্টিক পরীক্ষা নিরীক্ষায় ধরা পড়েনা সে সমস্ত রোগীর লক্ষন অনুসারে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে রোগ নির্মূলের ব্যবস্থা করা হয়

আমাদের চেম্বারে যোগযোগের ঠিকানাঃ

মুঈনউদ্দিন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসালয়

দোকান নং- ৪৪,
পশ্চিম রুপসা কেসিসি মার্কেট (সন্ধ্যা বাজার),
(রুপসা ট্রাফিক মোড় হতে রুপসা ফেরিঘাটের দিকে যেতে মাঝামাঝি স্থানে সন্ধ্যা বাজারের ৪৪ নং দোকান) এবং হযরত আবুবক্কর সিদ্দিক (বাঃ) জামে মসজিদের দক্ষিন দিকে।

টেলিফোন নম্বরঃ ০৪১-৭৩০ ৯১৮ (চেম্বার চলাকালীন সময়ে)
মোবাইল নম্বরঃ ০১৯৭৪ ৯১৮ ৯১৮
মোবাইল নম্বরঃ ০১৯২১ ৯১৮ ৯১৮
বিকাশ নম্বরঃ ০১৭৪০ ৯৩৮ ৯০৪ (ব্যক্তিগত)
ই-মেইলঃ drbulbulhomoeo@gmail.com

রোগী দেখার সময় সূচীঃ সকাল ০৯ টা থেকে দুপুর ০১ টা এবং বিকাল ০৪ টা হতে রাত্র ০৯ টা পর্যন্ত।

দূরবর্তী রুগীদের জন্য বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ

দূরবর্তী রুগীগন যাহারা আমাদের চেম্বারে আসতে অপারাগ তাহারা আমাদের মোবাইল নাম্বারে ৫০০/= টাকা বিকাশ করে পাঠিয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেসক্রিপশন তথা ঔষধের নাম সংগ্রহ করে নিকটস্থ হোমিও ফার্মেসী থেকে ঔষধ ক্রয় করে খেতে পারবেন ( এই নিয়ম ০১ মাসের জন্য কার্য্যকারী)
০১ মাসের মধ্যে দ্বিতীয় বার পরামর্শের জন্য ৩০০/= টাকা বিকাশ করতে হবে।
এছাড়া যদি কেউ আমাদের নিকট হতে ঔষধ নিতে চান তাহলে মোবাইল ফোনে কথা বলে ঔষধের দরদাম ঠিক করে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে আপনার ঠিকানায় যত্ন সহকারে ঔষধ পাঠানোর ব্যবস্থা করে থাকি।
মোবাইল ফোনে কথা বলে পরামর্শ গ্রহণের নির্ধারিত সময়ঃ সকাল ০৯ টা হতে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত।
বিঃ দ্রঃ রোগীর ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার কাগজ পত্র (যদি থাকে) তাহলে আমাদের ঠিকানায় ই-মেইল করে পাঠাবেন। ই-মেইল এড্রেসঃ drbulbulhomeo@gmail.com


রোগী দেখার সময় সূচীঃ

সকাল ০৯ টা থেকে দুপুর ০১ টা এবং বিকাল ০৪ টা হতে রাত্র ০৯ টা পর্যন্ত।
বিঃ দ্রঃ – দূরবর্তী রোগীগন চেম্বারে আসার আগে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে আসবেন।
মোবাইল নম্বরঃ ০১৯৭৪ ৯১৮ ৯১৮ ( শুক্রবার রোগী দেখা হয় না )